Phasalo kaisa pandani bisingtwi Tripura hasteni Gram Swaraj Bhawan, State Panchayat Resource Centre (SPRC), A.D. Nagar, Agartala o State Level Panchayet Award 2026 songchajakha.
Pandao kwbangma hangkhorni kaham samung khwlainairogno kahamni kaham khwlaiwi sokat akorog yapharjakha.
Aboni bisingo tongo
Healthy Panchayat, Women Friendly Panchayat, Child Friendly Panchayat, Water Sufficient Panchayat, Clean & Green Panchayat, Self-Sufficient Infrastructure, Socially Just & Socially Secured Panchayat, Poverty-Free & Enhanced Livelihood, Good Governance, and Overall Panchayat Advancement Index (PAI 2.0) performance akorog.

Tripura CM-
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী জীর দিশায় প্রতিটি পঞ্চায়েতকে স্বাবলম্বী করে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ আমাদের সরকার। বিকশিত ত্রিপুরা গড়ার লক্ষ্যে শক্তিশালী গ্রাম, শক্তিশালী পঞ্চায়েত নির্মাণে আমাদের সংকল্পের প্রতিফলন জাতীয় স্তরে বিভিন্ন পুরস্কার।
জাতীয় স্তরে এই স্বীকৃতি প্রমান করে যে পঞ্চায়েত ব্যবস্থা সঠিক দিশায় কাজ করছে এবং এর উপর সাধারণ মানুষের বিশ্বাস ও আস্থা রয়েছে।
এডি নগরে গ্রাম স্বরাজ ভবন, স্টেট পঞ্চায়েত রিসোর্স সেন্টারে আয়োজিত রাজ্যভিত্তিক পঞ্চায়েত পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে পঞ্চায়েত স্তরে সুশাসনে উৎকর্ষতা ও শ্রেষ্ঠত্বের প্রতি সম্মাননা জানিয়ে আজ বিভিন্ন পঞ্চায়েতকে পুরস্কৃত করি।
Kishor Barman-
আজ অরুন্ধতীনগরস্থিত স্টেট পঞ্চায়েত রিসোর্স সেন্টারে আয়োজিত পঞ্চায়েত পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করি। রাজ্যের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক (ডাঃ) মানিক সাহা মহোদয় এ মহতী অনুষ্ঠানে শুভ উদ্বোধন করেন এবং বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলি আজকের এই অনুষ্ঠান শুধুমাত্র পুরস্কার প্রদানের নয়; এটি আমাদের পঞ্চায়েত ব্যবস্থার নিষ্ঠা, স্বচ্ছতা, সুশাসন এবং জনসেবার প্রতি অঙ্গীকারের এক গৌরবময় স্বীকৃতি।
অনুষ্ঠানে জাতীয় ও রাজ্যস্তরে কৃতিত্ব অর্জনকারী গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি, জেলা পরিষদ এবং ভিলেজ কমিটির জনপ্রতিনিধি ও কর্মীদের আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। তাঁদের সাফল্য সমগ্র ত্রিপুরার গর্ব এবং অন্যান্য পঞ্চায়েতের জন্য অনুপ্রেরণা।
আমার বক্তব্যে তুলে ধরেছি যে, ভারতের গণতন্ত্রের প্রকৃত শক্তি নিহিত রয়েছে গ্রামের পঞ্চায়েত ব্যবস্থায়। মানুষের কাছে সরকারের প্রথম এবং সবচেয়ে কাছের মুখ হলো পঞ্চায়েত। তাই আমাদের লক্ষ্য শুধু পরিকাঠামো নির্মাণ নয়; মানুষের বিশ্বাস অর্জন, স্বচ্ছ প্রশাসন নিশ্চিত করা এবং প্রতিটি গ্রামকে আত্মনির্ভর ও উন্নত গ্রামে রূপান্তরিত করা।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীজির “বিকশিত ভারত ২০৪৭”-এর স্বপ্ন এবং মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক (ড.) মানিক সাহা মহাশয়ের নেতৃত্বে ত্রিপুরা সরকার গ্রামীণ উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে। এই অভিযাত্রায় পঞ্চায়েতের জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনিক আধিকারিক এবং মাঠপর্যায়ের প্রতিটি কর্মীর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আসুন, আমরা সবাই মিলে এমন একটি ত্রিপুরা গড়ে তুলি—
যেখানে প্রতিটি গ্রাম হবে উন্নয়নের মডেল, প্রতিটি পঞ্চায়েত হবে স্বচ্ছতার প্রতীক, প্রতিটি পরিবার হবে সমৃদ্ধির অংশীদার।
শক্তিশালী পঞ্চায়েত • সমৃদ্ধ গ্রাম • উন্নত ত্রিপুরা • বিকশিত ভারত।